রাত ২:০২,শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ , ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬
সংবাদ শিরোনাম :

চাঁদে যাওয়া প্রথম নারী হবেন কে?

দৈনিক বাংলা পত্রিকা ডেস্কঃ

অ্যাপোলো অভিযানের ৫০ বছর পর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আবারো চাঁদে পা রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে। মঙ্গলে অভিযানের পাশাপাশি ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদে আগামী প্রজন্মের মহাকাশযানের মাধ্যমে যাওয়ার পরিকল্পনা এরই মধ্যে এগিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। নাসার পরিকল্পনা তারা একজন নারী এবং একজন পুরুষকে একসাথে পাঠাবে। সংস্থাটি এই কর্মসূচির নাম দিয়েছে আর্টেমিস। এ নাম রাখা হয়েছে গ্রীক দেবতা অ্যপোলোর জমজ বোনের নামে। যিনি চাঁদের দেবী ছিলেন।

নাসা জানায়, তারা একটি ছোট স্পেশ স্টেশন বানাবে চাঁদের কাছে যার নাম দেয়া হয়েছে গেইটওয়ে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেটা চালু করা হবে।

নাসার গবেষকদের ধারণা গেটওয়ের মাধ্যমে পৃথিবীর বাইরে থেকে তারা তাদের মিশন পরিচালনা করতে পারবে এবং চাঁদের বুকে ফিরে আসতে পারবে।

বর্তমানে নাসার নভোচারী দলে ১২ জন নারী রয়েছেন। যাদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, পাইলট, বিজ্ঞানী ও একজন সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা।

এদের মধ্যে থেকে যে কোনো একজন চাঁদে পা রাখা প্রথম নারী হবেন। কিন্তু কে হবেন সে নারী তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

নাসার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কেন বোয়ারসক্স বলেন, আমার মনে হয় যাদের অন্তত একবার মহাকাশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তাদের পাঠানোই ভালো হবে। ১৯৫৮ সালে নাসা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর শুধু সেনাবাহিনী থেকেই প্রার্থী নেওয়া হতো, যাদের সবাই পুরুষ। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত চাঁদের বুকে হাঁটা মহাকাশচারীদের ১২ জনই পুরুষ। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো চারজন নারী মহাকাশচারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অ্যানি ম্যাকক্লেইন একজন সাবেক সেনা পাইলট। চলতি মাসের শেষের দিকে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) যাবেন তিনি। এ ছাড়া বর্তমানে আইএসএসে সাবেক প্রকৌশলী ক্রিস্টিনা কচ অবস্থান করছেন। টানা ১১ মাস মহাকাশে থেকে তিনি নারী হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই দুই নারীর মধ্যেই একজন হতে যাচ্ছেন চাঁদের বুকে হাঁটতে পারা সৌভাগ্যবান সেই নারী।

দৈনিক বাংলা পত্রিকা / রফিকুল ইসলাম খান

 
Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
Inline
Inline