ভোর ৫:০৭,বুধবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং , ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
«» আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের কবর জিয়ারত করলেন বাবেল গোলন্দাজ এমপি «» আগামীকাল আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী «» গফরগাঁওয়ে শীলা নদীর পুনঃখনন শুরু , অতিরিক্ত ৯০ হাজার টন ফসল উৎপাদনের আশা «» বঙ্গবন্ধু গ্যালারি উদ্বোধন করলেন ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল এমপি «» প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় ব্যবহারকারী গফরগাঁওয়ের মোশারফ প্রতারক গ্রেফতার «» মুক্তিযোদ্ধাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা «» দেশের বিভিন্ন স্থানে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা «» গফরগাঁওয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন «» হোসেনপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা «» গফরগাঁওয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

শিশুদের ব্রেনের ওপর চাপ দেবেন না: প্রধানমন্ত্রী

দৈনিক বাংলা পত্রিকা ডেস্কঃ

শিক্ষার্থীর মায়েদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের ব্রেনের ওপর চাপ দেবেন না। তাদের ওপর চাপ দেয়া উচিৎ নয়। খেলতে খেলতে হাসতে হাসতে পড়া শেখাবেন। শুধু বাইরের খেলা নয়, ঘরে বসেও অনেক খেলা করা যায়। তাছাড়া কম্পিউটারে এখন অনেক খেলার ব্যবস্থা রয়েছে। ছেলে-মেয়েদের বেশি চাপ দিলে শিক্ষার ওপর একটা ভীতি সৃষ্টি হয়।

আজকাল দেখি শিশুদের মধ্যে নয়, বাবা-মায়েদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেশি। এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকুন। সারাক্ষণ পড় পড় করলে ছেলে-মেয়েদেরও মন খারাপ হয়। তার যেন আনন্দের সঙ্গে পড়ালেখা করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

আজ বুধবার সকালে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষ্য সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রি-প্রাইমারি ও প্রাইমারি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। অনেক দেশে সাত বছরের আগে শিশুরা স্কুলে যায় না। কিন্তু আমাদের দেশের শিশুরা অনেক আগে থেকেই স্কুলে যায়। শিশুদের বয়স হওয়ার পর তাদের স্কুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। একটা জাতিকে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। সেটা হবে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার হাতিয়ার। আমরা নতুন করে শিক্ষার নীতিমালা করেছি। লেখাপড়ার বিস্তৃতি ঘটানোর জন্য পাহাড়ী অঞ্চল, হাওড় অঞ্চল, নৃ-জাতি, অন্ধ, শ্রবণপ্রতিবন্ধী সকলের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি। তাদের জন্য আলাদা বইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি করেছি। ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি। যেন শিক্ষকরাও ভালোভাবে শিক্ষা দিতে পারেন।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে। মানুষের মতো মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে। একদিন তোমরাই হবে এ দেশের কর্ণধার।

দৈনিক বাংলা পত্রিকা / রফিকুল ইসলাম খান

 
Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।