রাত ১:০৩,শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ , ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬
সংবাদ শিরোনাম :

হকিংয়ের সেই চেয়ারটির দাম ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা!

জগদ্বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের ব্যবহৃত হুইলচেয়ারটি প্রায় তিন কোটি ৩০ লাখ টাকায় এবং তাঁর পিএইচডি ডিগ্রির গবেষণাপত্রের পাণ্ডুলিপি সাড়ে ছয় কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার নিলামের মাধ্যমে ওঠা এমন দামে বিক্রির কথা জানিয়েছে নিলামকারী কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা এপি ও ইউএনবি এ তথ্য দিয়েছে।

মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের প্যারালাইজড হওয়ার পরে যে মোটরচালিত হুইলচেয়ারে রাখা হয়েছিল, অনলাইনভিত্তিক এই নিলামে তার দাম ওঠে দুই লাখ ৯৬ হাজার ৭৫০ পাউন্ড, যার ভিত্তিমূল্য রাখা হয়েছিল ১৫ হাজার পাউন্ড।

চেয়ার বিক্রীত এই অর্থ দুটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে, যার একটি স্টিফেন হকিং ফাউন্ডেশন এবং অন্যটি মোটর নিউরন ডিজিসেস অ্যাসোসিয়েশনে।

অন্যদিকে, বিশ্বখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬৫ সালে করা ‘প্রপার্টিজ অব এক্সপেন্ডিং ইউনিভার্স’ শিরোনামের থিসিস পেপারটি তার ভিত্তিমূল্যের চেয়ে তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। অনলাইন নিলামে এর দাম উঠেছে পাঁচ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫০ পাউন্ড।

গত ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই নিলামে সব মিলিয়ে স্টিফেন হকিংয়ের ২২টি সামগ্রী তোলা হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে ‘সিম্পসন’ (এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটির একটি পরিচ্ছেদ), সাড়াজাগানো গবেষণাপত্র ‘স্পেকট্রাম অব ওয়ার্মহোলস’ ও ‘ফান্ডামেন্টাল ব্রেকডাউন অব ফিজিকস ইন গ্র্যাভিটেশনাল কোলাপ্স’-এর পাণ্ডুলিপি।

নিলাম আয়োজক কর্তৃপক্ষ বলছে, নিজের হাতে লেখা হকিংয়ের গবেষণাপত্র যেমন বিজ্ঞানের জ্বলন্ত দলিল, তেমনি এগুলো তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের গল্পও বলে।

চলতি বছরের মার্চে ৭৬ বছর বয়সে মারা যান স্টিফেন হকিং। মহাকাশের রহস্য, কৃষ্ণগহ্বর, সৃষ্টির রহস্যের সন্ধানের জন্য বিশ্বে পরিচিতি পান হকিং।

মাত্র ২২ বছর বয়সে মস্তিষ্কের জটিল রোগ মোটর নিউরন ডিজিসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হুইলচেয়ারে বন্দি ছিলেন হকিং। সে অবস্থাতেই মহাকাশের রহস্যের সমাধানে ব্যস্ত থেকেছেন তিনি। 

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
Inline
Inline