শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক এমপি, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেমকে অনুদান দিলেন রাষ্ট্রপতি ভাস্কর্য বিরোধী মৌলবাদী, ধর্মব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের দাবীতে গফরগাঁওয়ে হাজারো নারীর মানববন্ধন গফরগাঁওয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর হচ্ছেন ৩ জন ভয়াবহ অগ্নীকান্ডের কবলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর গফরগাঁওয়ে লিবিয়ায় মানবপাচারকারী গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ-সমাবেশ গফরগাঁওয়ে গত দশ মাসে আরও ‘কোনঠাসা’ বিএনপি গফরগাঁও পৌর নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেলেন ইকবাল হোসেন সুমন গফরগাঁওয়ে তিন ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে, লোকালয়ে ড্রাম চিমনীর ইটভাটা গফরগাঁওয়ে মাস্ক না পড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস

সৈয়দ তোফায়েল আহমেদ সুজন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস 888 600x337



আজ ১৫ নভেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্থানী হানাদার ও তাদের তাবেদার রাজাকার, আলবদর বাহিনী গফরগাঁও উপজেলার চরআলগী ইউনিয়নের ৩টি গ্রামের ৩৫টি পাড়ায় নারকীয় তান্ডব চালিয়ে হত্যা করে ৪৭ জন নিরাপরাধ মানুষকে, আগুনে পুড়িয়ে ভষ্মিভূত করে প্রায় সাড়ে ৫’শ বাড়ি। বর্বর পাকবাহিনীর হত্যাকান্ড থেকে রেহাই পায়নি কোলের শিশু থেকে শুরু করে মসজিদের মুসল্লিরাও।
১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসের শেষের দিকে তখন ব্রক্ষপুত্র নদে জোয়ারের পানি। তাই উপজেলা সদর থেকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এলাকা হিসেবে চরআলগী ইউনিয়নকে নিরাপদ ঘাটি হিসেবে বেছে নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধা মফিজ আহমেদ জানায়, তখন চরআলগীতে প্রায় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা একত্রিত হয়ে অবস্থান করছিল। এ রকম পরিস্থিতিতে চরাঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা প্রায়শই গফরগাঁও, নান্দাইল ও হোসেনপুর উপজেলা সদরে অবস্থানরত পাকবাহিনীকে আক্রমন করে নাস্তানাবুদ করছিল। ১৪ নভেম্বর হানাদার বাহিনী তাদের এ দেশীয় গুপ্তচরের মাধ্যমে খবর পায় চরআলগীতে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধাদের বড় একটি অংশ নান্দাইল সদরে চলে গেছে যুদ্ধ করতে। এ সুযোগে ১৪ নভেম্বর শেষ রাতে পাক হানাদার বাহিনী রাজাকার মফিজ ও তার ছেলে বাবুলের সহযোগিতায় চরকামারিয়া এলাকা দিয়ে ঢুকে পড়ে চরআলগীতে, খবর পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিরোধে চেষ্টা করে। কিন্তু অস্ত্র ও লোকবলের অভাবে হানাদার বাহিনীকে ঠেকাতে না পেরে পিছু হটে পাশ্ববর্তী নান্দাইল উপজেলার দেওয়ানগঞ্জ বাজারে আশ্রয় নেয়। আর পাক হায়েনার দল যাপিয়ে পড়ে ঘুমন্ত অসহায় চরবাসীর উপর। একদিকে গুলি অন্যদিকে আগুন। সারাদিন চলে এ তান্ডব লীলা। একদিনে ১৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর চরাঞ্চলে পাক হানাদার বাহিনী এবং এদেশীয় রাজাকাররা সাড়ে ৫’শ বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে গোটা এলাকাকে পরিণত করে বিরান ভুমিতে। এ তান্ডব লীলা চালানোর সময় পাক হায়েনার দল মসজিদ থেকে ধরে এনে আলিম উদ্দিন সরকার, আমির উদ্দিন মাষ্টার, ইউনুস আলীসহ ৪৭ জনকে বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। আহত হয় আরো অনেক। আহত অবস্থায় কেউ আজো বেঁচে আছেন দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে।

দৈনিক বাংলা পত্রিকা / আতাউর রহমান মিন্টু

Express Your Reaction
Like  আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস like
Love  আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস love
Haha  আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস haha
Wow  আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস wow
Sad  আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস sad
Angry  আজ চরআলগী গণহত্যা দিবস angry

Facebook Comments

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2018 dainikbanglapatrika
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Aanin Mahmodul
themebazar-2281